নীলঘর

আনিতা আমার দুই বছরের বড়। তাকে কি আপু ডাকবো?
সে স্কুল, কলেজ পেরিয়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমি সদ্য কলেজ ধরেছি। নাকের নিচে কালো রেখা অস্পষ্ট উঁকি দিচ্ছে। জানান দিচ্ছে পৌরুষ। চনমনে ভরপুর আবেগতাড়িত মন।
ধরাকে লাঠিম ভাবি। সরাকে ভাবি বালিকণা।
আর আনিতা!
মাত্র তো দুই বছরের বড়। তাকে কেনো ডাকবো আপু?
আনিতা। হ্যাঁ, শুধুই আনিতা। হোক সে অনেক সুন্দরী। হোক সে এ পাড়ায় নিউকামার।
বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

শুয়োপোকা, প্রজাপতি এবং আমিগুলো

পাঁচ.

“রুদ্র, আমার প্রচণ্ড মন খারাপ, অনেক অনেক মন খারাপ। আমাকে একটু আদর করবি?”
একদিন গভীর রাতে আমার ঘুম ভাঙলো মোবাইলের রিঙটোন শুনে। ডিসপ্লেতে এলইউ লেখাটা দেখে রিসিভ করে কানে লাগাতেই ওর কথা আবেগ জড়ানো কথাগুলো ভেসে এলো।
প্রথমেই আমি বুঝতেই পারলাম না। বুঝতেই পারলাম না ও আমাকে কী বলেছে?
চোখের আর মনের ঘুম দ্রুত কেটে গেলো সামান্য দুটি বাক্য শুনে।
“কী বললি? বুঝতে পারলাম না… ”
“আমাকে একটু আদর করবি? আমার গালে কিংবা আমার ঠোঁটে কিংবা তোর যেখানে মন চায়?” কাপা কাপা কণ্ঠে কথাগুলো আওড়ায়।
বিস্তারিত পড়ুন

শুয়োপোকা প্রজাপতি এবং আমিগুলো

‘স্যার আমি লুবনা, গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়া থেকে বলেছি। আপনি কি আমাদের হেল্প সেন্টারে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন?’

মোবাইল ফোনটা রিসিভ করে কানে লাগাতেই উপরের কথাগুলো ভেসে আমার কানে।
আচমকা আমি থমকে যাই। কিছু বলার ভাষা আমি হারিয়ে ফেলি। মূলত এই কারণে নয় যে, গ্রামীণফোন থেকে আমাকে একটি মেয়ে ফোন করেছে।
লুবনা আমার এতো পরিচিত একটা নাম, তার কণ্ঠস্বর শোনেই আমি থমকে যাই।

এক নিমিষে ফিরে যাই সাতটি বছর আগে।
বিস্তারিত পড়ুন

ক্রুশবিদ্ধ মহিলা যীশু

শহরের কোলাহলে প্রতিদিনই হাঁপিয়ে উঠে পলিত। পুরুষগুলো এত বিশ্রী! একটু সুযোগ পেলেই ফস করে হাত ছুঁয়ে দেয় স্তনের বোঁটায়। কিংবা কনুই ঠেকিয়ে দেয় অতি যত্ন করে ব্রার ভেতরে গুছিয়ে রাখা বস্তু দুটিতে। পায়ের তালু থেকে মাথা পর্যন্ত শির শির করে বেয়ে উঠে যায় একটা স্রোত। শীতযামের রাত্রির বাতাসের মতোই।
ফার্মগেট ওভারব্রীজের পাশ দিয়ে ফুটপাত ধরে হেঁটে যেতে আজও একই অবস্থা হলো ওর। কোচিং সেন্টার থেকে বের হয়ে ব্রীজ পার হয়ে রিক্সা ধরবে সে। সাথে বান্ধবী সাবা।
হারামজাদার কাণ্ড দেখেছিস সাবু?
বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্প : বর্ষাফুল

lf thou showest me not thy face
lf thou leavest me wholly aside
I know not how I am to pass
These long rainy hours.
– Rabindranath Tagore

সকাল বেলা ঘুম থেকে থেকে জেগেই মিতুর মনটা খারাপ হয়ে গেলো। সেই সাথে মেজাজও চড়ে গেলো হাই ভোল্টে। এমন সময় হন্তদন্ত হয়ে রুমে ঢুকলো জহির। মিতুর ফুফাতো ভাই।
হাঁপাতে হাঁপাতে বললো, মিতু, একটা আলপিন দে তো!
মিতু কড়া করে বকা দিতে গিয়েও থেমে গেলো। একটি প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের ঘরে যে ছেলে হুট হাট করে ঢুকে যায় তার মতো কাণ্ডজ্ঞানহীন ছেলেকে বকা দেয়া, না-দেয়া এক কথা।
বিস্তারিত পড়ুন

একখণ্ড মেঘ এবং ভালোবাসা

‘এই, এই! লুনা, দেখ সেই ছেলেটা।’ বহ্নি আগ্রহের সাথে তার বান্ধবীকে দেখালো একটা ছেলেকে।
ওরা শামসুন্নাহার হলের আবাসিক ছাত্রী।
তখন শেষ বিকেল। সূর্যের ত্যাজ কমে গেছে।
হলের সামনের খোলা জায়গায় বসে ছেলে-মেয়েরা গল্প করছে। নিতান্ত যাদের রিলেশন বা কোনো ছেলে বন্ধু নেই, তারা একা একাই ঘুরে বেড়াচ্ছে। কিংবা কোনো কাজে বাইরে যাচ্ছে।
লুনা আর বহ্নি পড়ছে দ্বিতীয় বর্ষে। ওরা পরস্পর রুমমেট।
এখন যাচ্ছে নিউমার্কেটের দিকে। প্রায়ই ওরা নিউমার্কেট ঘুরতে যায়।
হলের গেইট থেকে বের হতেই বহ্নির চোখে পড়লো ছেলেটা। কোন্ ছেলেটা?

বিস্তারিত পড়ুন